সংগ্রামের (সর্ব রকম সংগ্রাম, শুধু সশস্ত্র সংগ্রাম নয়) মাধ্যমে সমস্ত পৃথিবীকে আল্লাহর আইনের শাসনে আনার মত দুরুহ ও বিরাট কাজের দায়িত্ব যে জাতির ওপর অর্পণ করা আছে তাদের যে চরিএ প্রয়োজন যে কোরবানী করার শক্তির প্রয়োজন, যে ঐক্য ও শৃংখলার প্রয়োজন তা সৃষ্টি করে এই সালাহ্ (নামায)। বহু জনসমাবেশে, সামরিক কায়দায় লাইনের পর লাইনে দাঁড়িয়ে সার্জেন্ট মেজরের (Sergeant - major) হুকুমের মত ইমামের তকবিরের সংগে সংগে রুকু, সাজদা কোরে ওঠ - বস কোরে, মনে মনে কোরান আবৃওি কোরে, ইমামের হুকুমের সংগে সংগে ডাইনে বাঁয়ে মুখ ঘুরিয়ে আর যাই হোক, নিবিষ্ট মনে যে আল্লাহকে ধ্যান করা যায় না এ সত্য বুঝতে সাধারণ জ্ঞানের (Common sense) বেশী প্রয়োজন হয় না। বর্তমানে যে আকীদায় নামায পড়া হয়, তা নামাযের উদ্দেশ্য নয়। বর্তমানে নামায মানেই আল্লাহকে উপাসনা করা নিবিষ্ট মনে ধ্যানকরা ইত্যাদি।
বাহ্যিক দিক থেকে নামাযকে শুধু একটি মাএ জিনিসের সাথেই তুলনা করা যায় সেটা সামরিক বাহিনীর কুচকাওয়াজ। আল্লাহ বিরুদ্ধে যা কিছু আছে সমস্ত কিছু-কে রুখে দেবার জন্য আল্লাহ সার্বভৌমতকে প্রতিষ্ঠা করার জন্য যে চরিএ প্রয়োজন তা সৃষ্টি করে এই সালাহ্ (নামায)।সালাহ্ একটা ছাঁচ (Mould)। এই ছাঁচে ফেলে যে চরিএের জাতি সৃষ্টি হয় তা ঐক্যে, শৃংখলায়, আনুগত্যে, হেজরতে শএুর প্রাণে এাসসৃষ্টি কারী দুর্ধর্ষ যোদ্ধাজাতি। শুধু একটি সামরিক বাহিনী সৃষ্টিই এর উদ্দেশ্য নয়। আপনারা হেযবুত তওহীদকে জানুন। যামানার এমাম জনাব মোহাম্মদ বায়াজীদ খাঁন পন্নীর লেখা বইগুলো পড়ুন এবং প্রকৃত এসলাম সম্পর্কে জানুন। সত্যের আলো নিভে না।
No comments:
Post a Comment