Sunday, May 10, 2015

ইসলাম স্বীকার করে না অর্থই আল্লাহ ও তার রসুল (দঃ) স্বীকার না করা !

এই যে জাতিটি, যেটি নিজেদের মো'মেন, মুসলিম ও উম্মতে মোহাম্মদী বোলে বিশ্বাস করে এবং মরক্কো থেকে ফিলিপাইন পর্য্যন্ত এক বিরাট মৃতদেহের মত পড়ে আছে, একে খণ্ড খণ্ড কোরে ভাগ কোরে নিয়ে শাসন ও শোষণ কোরে ছেড়ে যাবার পর বর্তমানে এর অবস্থা কী রকম তা পর্যবেক্ষণ করা দরকার। তা কোরতে গেলে প্রথমে যে জিনিষটি চোখে পড়বে সেটি ভৌগলিক রাষ্ট্রে বিভক্তি।

ব্যবস্থা, ইসলামের শেষ সংষ্করণ যে সমস্ত অন্যায় পৃথিবী থেকে মিটিয়ে দিতে আল্লাহ তার শেষ নবীর (দঃ) ওপর অবতীর্ণ কোরলেন তার অন্যতম হলো ভৌগলিক রাষ্ট্র ব্যবস্থা। কারণ মানুষে মানুষে প্রভেদ সৃষ্টি, সমষ্টিগতভাবে মানুষে মানুষে সংঘর্ষ ও রক্তপাতের অর্থাৎ সাফাকুদ্‌দিমার জন্য যে কয়টি কারণ প্রধানতম তা হলো; গায়ের রং, ভাষার বিভিন্নতা ও ভৌগলিক অবস্থানের ওপর ভিত্তি কোরে মানুষে মানুষে ভেদাভেদ। শেষ ইসলাম এই তিনটি প্রকারের প্রভেদগুলির প্রত্যেকটিকে সরাসরি অস্বীকার কোরেছে।

দ্বিতীয়তঃ বিশ্বনবী (দঃ) সমগ্র মানব জাতির জন্য প্রেরিত হোয়েছেন, কাজেই তার নবুয়াত পাওয়ার দিনটি থেকে পৃথিবীর শেষ দিন পর্য্যন্ত সমগ্র মানব জাতি তত্ত্বীয়, ধারণাগতভাবে  তার (দঃ) উম্মাহ, মানুষ তাকে (দঃ) স্বীকার করুক বা না করুন। ঐ তিন রকমের প্রভেদ স্বীকার কোরলে ঐ উম্মাহ অর্থাৎ মানব জাতির মধ্যে বিভাজনকে স্বীকৃতি দেওয়া হয় যার অবধারিত ফল হোচ্ছে বিভেদ ও বিবাদ সৃষ্টি। অথচ জীবন-ব্যবস্থার মূল উদ্দেশ্য হোচ্ছে মানুষের জন্য অবিচার, অশান্তি ও রক্তপাত বন্ধ করা। কাজেই গায়ের রং, ভাষা, ভৌগলিক অবস্থান ইত্যাদির ওপর ভিত্তি কোরে কোন ব্যবস্থা ইসলাম স্বীকার করে না, কোরতে পারে না। ইসলাম স্বীকার করে না অর্থই আল্লাহ ও তার রসুল (দঃ) স্বীকার করেন না। সুতরাং তা স্বীকার করা শেরক ও কুফর।

শেষ ইসলাম যে এই বিভেদ স্বীকার করেনা ও এই শেষ দ্বীনে যে এর কোন স্থান নেই তার প্রমাণ এর ইতিহাস। বিশ্বনবীর (দঃ) সহচর, আসহাব (রাঃ) ও পরবর্তীতে তার উম্মাহর মধ্যে ঐ তিন রকমের প্রভেদ একেবারে ধুয়েমুছে একাকার হোয়ে গিয়েছিলো। নিগ্রো বেলাল (রাঃ) আর আরবদের চিরাচরিত জাত শত্রুর দেশের, পারশ্যের সালমান ফারসী (রাঃ) এই উম্মাহর নেতৃস্থানীয় হোয়ে গিয়েছিলেন। বর্তমান 'মুসলিম' দুনিয়া ঐ শেরক ও কুফরের মধ্যে সম্পূর্ণভাবে ডুবে আছে।

সুত্রঃ যামানার এমাম, এমামুয্‌যামান (The Leader of the time) জনাব মোহাম্মদ বায়াজীদ খান পন্নী।

No comments:

Post a Comment